সংবাদ শিরোনামঃ
দেবহাটায় অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ শাঁখরা-কোমরপুর বেইলি ব্রিজ সংস্কার কাজের উদ্বোধন,খুব শিগগিরই এখানেই পাকা ব্রিজ নির্মাণ করব,আলহাজ্ব আব্দুর রউফ কয়রায় কিশোরী ও তাদের অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করণ সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ সামগ্রী এবং চেক ও ফলজ বৃক্ষ বিতরণ দেবহাটায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা বুধবার*স্মার্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগী দেখবেন— বড়কুপুটে ২৫ ফুট উচ্চতার প্রতিমায় দক্ষযজ্ঞ ও শিবের মহাতাণ্ডব মাটি ও ফাইবারে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে পুরাণের হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যপট কালিগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নলতায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন অর রশিদের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগর গাবুরায় বনদস্যুদের সহযোগিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা মঙ্গলবার*স্মার্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগী দেখবেন
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত — ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত — ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

আন্তর্জাতিক খবর।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (বয়স ৮৬) নিহত হওয়ার খবর ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশটিতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং ৭ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রথম খবরটি সকালে প্রচার করে জানায় যে খামেনি “শাহাদাত বরণ করেছেন” এবং তার মৃত্যুর জন্য তারা ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে।
খবর অনুযায়ী তিনি জাতীয় কর্তব্য পালনকালে নিহত হয়েছেন, যদিও সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি বা বিবরণ এখনও সম্পূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়নি।
ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কাউন্সিল ঘোষণা করেছে যে দেশব্যাপী সরকারি অনুষ্ঠান ও কাজে বিরতি থাকবে এবং পতাকার অর্ধনমিত্ত থাকবে।
খবরটি এমন সময় এসেছে যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাত চলছে। কিছু আন্তর্জাতিক সূত্র জানাচ্ছে যে খামেনির মৃত্যুর খবর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বা বোমাবর্ষণের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, যদিও বিভিন্ন পক্ষ থেকে তথ্যের মধ্যে মিল বা পার্থক্য রয়েছে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং দেশটির সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ ছিলেন। তিনি গত প্রায় তিন দশক ধরে ইরানের রাজনীতি, সামরিক এবং ধর্মীয় নীতি পরিচালনা করেছেন এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের সরকার ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা ও প্রশ্ন উঠছে। সরকারি বার্তা অনুযায়ী, একটি অস্থায়ী কমিটি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিচ্ছে, যার সদস্যদের মধ্যে আছে ইরানের প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং আইনি উপদেষ্টা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *